শরীরে পচন ধরায় বৃ,দ্ধকে বাঁশ ঝাড়ে ফেলে দিল স্ব,জনরা

যখন মানুষ মূল্যহীন হয়ে পরে তখন সংসারে সে বোঝা হয়ে যায়। অথচ সে কদিন আগেও সংসারের একজন আদরের অবস্থায় ছিল। কিন্তু নিয়তি মানুষকে এমন জায়গায় দাঁড় করিয়ে দেয় যে হীন মানবিকতা ভুলে মানুষ হয়ে উঠে পাষণ্ড ও অমানবিক। ঠিক যুগে যুগে যখন অধর্ম বৃদ্ধি পেয়েছে তখন ঈশ্বর তার দূত পাঠিয়েছেন ধর্ম সংস্থাপনের জন্য। ঠিক এমনই রক্ত হিম হয়ে যাওয়া ঘটনা ঘটেছে ফরিদপুর জেলায়। সারা শরীরে বাসা বেঁধেছে অসুস্থতা,

শরীরে ঘাঁ হওয়ায় এ্যাম্বুলেন্সে রাতের আঁধারে রাস্তার পাশে বাঁশ ঝাড়ে ফেলে গেলেন তোতা মিয়া (৫২) নামের এক রোগীকে তার স্বজনেরা। ৯৯৯ এ জানানোর পর পুলিশ অসুস্থ সেই হতভাগা রোগীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করেন। বুধবার (২৮ জুলাই) রাতে ফরিদপুরের কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম,এ জলিল গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, গতকাল মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) দিবাগত রাত দেড় টায় জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে জানতে পারে পুলিশ,

ফরিদপুর কোতয়ালী থানাধীন ঈশান গোপালপুর ইউনিয়নের চক ফতেপুর গ্রামে রাস্তার পাশে বাঁশঝাড়ের নিচে অ্যাম্বুলেন্সে করে একজন মুমূর্ষু রোগীকে ফেলে রেখে গেছে তার স্বজনেরা। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে ফরিদপুরের কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম.এ জলিলসহ এসআই (নিঃ) ফুরকান খাঁন, এসআই (নিঃ) কৃষ্ণ বিশ্বাস ও সঙ্গীয় ফোর্স উক্ত স্থানে গিয়ে মুমূর্ষ অবস্থায় ওই রোগীকে উদ্ধার করে ফরিদপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

পরে পুলিশের সহযোগিতায় মুমূর্ষ রোগীকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সার্বিক সহযোগিতায় সরকারি সরবরাহকৃত ওষুধ প্রদান করেন। এছাড়াও প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র সরকারিভাবে সরবরাহ না থাকায় ফরিদপুর পুলিশ সুপারের নির্দেশক্রমে এবং মহানুভবতায় ফরিদপুর জেলা পুলিশের তহবিল থেকে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও পরিধেয় বস্ত্র সরবরাহ করা হয়। ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় অফিসার ইনচার্জ এম.এ জলিল বলেন, খুবই অমানবিক ও দুঃখজনক একটি ঘটনা।

Check Also

অনলাইন থেকে শুক্রাণু কিনে ‘ই-বেবি’র জন্ম দিলেন নারী

সন্তান পেতে চেয়েছিলেন। তবে শুধু এই কারণে বাধ্য হয়ে কোনো সম্পর্কে জড়াতে চাননি ৩৩ বছর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *