যেভাবে অঢেল অর্থের মালিক মাদ্রাসাপড়ুয়া নজরুল রাজ

পরীমনিকে চিত্রজগতে নিয়ে আসেন রাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার কথিত চলচ্চিত্র প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজ। সিনেমায় নাম লেখানোর আগে দীর্ঘদিন রাজের কাছেই থাকতেন পরীমনি।পিরোজপুরের এক প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে উঠে ঢাকায় এসে রাজের কাছেই থাকেন পরীমনি। গ্ল্যামার জগতে পরীমনির উত্থানে রাজের ভূমিকা ছিল প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ। গ্রেফতার রাজ ১৯৮৯ সালে খুলনার একটি মাদ্রাসায় দাখিল সম্পন্ন করেছেন। যদিও তার দাবি, ঢাকায় এসে তিনি গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেছেন।

রাজ ঢাকায় এসে বিভিন্ন ব্যবসাবাণিজ্য শুরু করেন। ঠিকাদারির কাজও করেন রাজ। এরপর মিডিয়া জগতের ব্যবসায় তার অনুপ্রবেশ ঘটে।বৃহস্পতিবার বিকেলে র‍্যাব সদরদফতরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, রাজ মাল্টিমিডিয়া নামে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান গড়েন নজরুল ইসলাম রাজ। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে রাজ অনৈতিক কাজ করে বিপুল অংকের অর্থের মালিক হয়েছেন। ব্যবসায়িক ও চিত্রজগতের দুই ক্ষেত্রে তার সংযোগ থাকায় তিনি অতিরিক্ত অর্থ লাভের আশায় উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে নিজ অবস্থানের অপব্যবহার করেন।

রাজের উত্থানের পেছনের ইতিহাস জানাতে কমান্ডার খন্দকার আল মঈন আরো বলেন, রাজ গ্রেফতার শরফুল হাসান ওরফে মিশু হাসান ও মাসুদুল ইসলাম ওরফে জিসানের সহযোগিতায় ১০-১২জন তরুণী নিয়ে একটি অপরাধচক্র তৈরি করে। এই চক্রটি গুলশান, বনানী, বারিধারাসহ রাজধানীর অভিজাত এলাকায় ডিজে পার্টির আয়োজন করত। এসব পার্টিতে মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অনৈতিক কার্যক্রম সংঘটিত হতো। এসব পার্টিতে অংশগ্রহণকারীদের থেকে বিভিন্নভাবে মোটা অংকের অর্থ সংগ্রহ করা হতো। এরইমাধ্যমে রাজসহ এই চক্রের সদস্যরা রাতারাতি বিপুল পরিমান অর্থের মালিক বনে যান। গ্রেফতারকৃত রাজ জানায়, রাজ মাল্টিমিডিয়া নামে এসব অনৈতিক কাজ ও ডিজে পার্টি দিয়ে মাদক ব্যবসার মাধ্যমে যেসব অর্থ উপার্জন করতেন তা নিজের আমদানি, ঠিকাদারি, বালুভরাটসহ বিভিন্ন ব্যবসায় লগ্নি করতেন।

Check Also

আরও ২ মামলায় জামিন পেলেন হেলেনা জাহাঙ্গীর

আওয়ামী লীগের বহিস্কৃত বিতর্কিত ব্যবসায়ী হেলেনা জাহাঙ্গীরকে রাজধানীর গুলশান থানায় মাদক ও পল্লবী থানায় প্রতারণা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *