যাবজ্জীবন হতে পারে পরীমণির

দেশের আলোচিত ও সমালোচিত অভিনেত্রী পরীমণি ওরফে শামসুননাহার স্মৃতির বাসা থেকে বিদেশি মদ ছাড়াও আইস ও এলএসডির মতো ভয়াবহ মাদক জব্দ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এরপর তার বিরুদ্ধে মোট ৫টি মামলা করা হয়। মামলাগুলো তদন্তাধীন। অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হলে পরীমণির সর্বোচ্চ সাজা হতে পারে যাবজ্জীবন। এমনটাই বলছেন আইনজীবীরা।

মামলার এজাহার অনুসারে, পরীমণির বাসা থেকে সর্বমোট ১৯টি মদের বোতল উদ্ধার করা হয়। বোতলগুলোর মধ্যে মোট সাড়ে ১৮ লিটার বিদেশি মদ পাওয়া গেছে। বোতলগুলো একটি কাঠের ফ্রেমে রক্ষিত ছিল। এ ছাড়াও একটি সাদা জিপারে ৪ গ্রাম আইস এবং এক ব্লট এলএসডি পাওয়া গেছে। মাদক সেবনে ব্যবহৃত একটি বং পাইপও উদ্ধার হয়েছে।

এ ঘটনায় পরীমণি ও তার সহযোগী আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬ (১)-এর ২৪ (খ), ৩৬(১)-এর ২৯(ক), ৩৬(১)-এর ১০(ক), ৪২(১) এবং ৪১ ধারায় মামলা হয়েছে। উল্লেখিত ধারাগুলো বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১০-১০০ কেজি বা লিটার অ্যালকোহল জাতীয় মাদকদ্রব্য বহন, সেবন বা সরবরাহ করারে সর্বনিম্ন ৩ বছর ও সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

মাদকদ্রব্যের পরিমাণ সর্বোচ্চ ১ কেজি অথবা লিটার হলে সর্বনিম্ন ১ বছর ও সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড হবে। এ আইনের ৪২(১) ধারায় বলা হয়েছে- শাস্তির ব্যবস্থা হয়নি এমন মাদকদ্রব্যের ক্ষেত্রেও দণ্ডের বিধান আছে। ধারাটিতে বলা হয়েছে, ‘কোনও ব্যক্তি যদি এই আইন অথবা কোনও বিধান লঙ্ঘন করে, যার জন্য স্বতন্ত্র কোনও দণ্ডের ব্যবস্থা নেই, তবে তিনি ওই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ১ বছর কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।’

Check Also

অনলাইন থেকে শুক্রাণু কিনে ‘ই-বেবি’র জন্ম দিলেন নারী

সন্তান পেতে চেয়েছিলেন। তবে শুধু এই কারণে বাধ্য হয়ে কোনো সম্পর্কে জড়াতে চাননি ৩৩ বছর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *