সিআইডির তিন সদস্যসহ ৫ জন কারাগারে

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে এক নারী ও তার ছেলেকে আটক করে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে রংপুর সিআইডির একজন এএসপি ও অপর ২ জন সদস্যসহ ৫ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (২৫ আগস্ট) বিকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে পাঠানো সিআইডির ৩ জন হলেন-রংপুর সিআইডির এএসপি সারোয়ার কবির, এএসআই হাসিনুর রহমান ও কনস্টেবল আহসানুল হক।অন্যদুজনের মধ্যে একজন মাইক্রোবাস চালক হাবিব এবং ফসিউল আলম পলাশ নামে এক যুবক।

সদর উপজেলার বাশেরহাট থেকে মঙ্গলবার বিকেলে তাদের আটক করা হলেও বিষয়টি বুধবার জানাজানি হয়। যাদের অপহরণ করা হয়েছে, তারা দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার লুৎফর রহমানের স্ত্রী জহুরা খাতুন (৪২) ও তার ছেলে জাহাঙ্গীর (২৫) অপহৃত জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে বুধবার চিরিরবন্দর থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ এ মামলায় ৫ জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে বিকালে আদালতে সোপর্দ করেছেন। ৫ আসামির মধ্যে আদালত একজনের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নিয়ে ৫ জনকেই কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

লুৎফরের ভাগনে শামসুল আলম মানিক জানান, চিরিরবন্দরের পলাশ নামের এক ব্যক্তি লুৎফরের বিরুদ্ধে রংপুর সিআইডি কার্যালয়ে প্রতারণার একটি অভিযোগ করেন। এ ঘটনাটি চলতি মাসের শুরুর দিকের। তিনি জানান, সিআইডির এএসপি সারোয়ার কবিরের নেতৃত্বে একটি দল গত সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় চিরিরবন্দরে গিয়ে তার মামার বাড়িতে অভিযান চালায়। লুৎফরকে না পেয়ে তার স্ত্রী জহুরা বেগম ও ছেলে মো. জাহাঙ্গীরকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যান তারা।

‘লুৎফর রহমানকে ফোন করে তার স্ত্রী-সন্তানের মুক্তির বিনিময়ে ১৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা নিতে মঙ্গলবার বিকেলে সিআইডি কর্মকর্তাদের দিনাজপুর সদর উপজেলার বাশেরহাটে আসতে বলেন লুৎফর। এর আগেই বিষয়টি তিনি চিরিরবন্দর থানা পুলিশকে জানিয়ে রাখেন।’ সিআইডির ওই পুলিশ সদস্যরা বাশেরহাটে পৌঁছালে জেলা পুলিশ তাদের আটক করে চিরিরবন্দর থানায় নিয়ে যায়। সেখান থেকে রাতে তাদের সদরের পুলিশ সুপার কার্যালয়ে নেয়া হয়।

Check Also

৫ অক্টোবর ঢাবির হল খোলার সুপারিশ প্রভোস্ট কমিটির

করোনা পরিস্থিতির কারণে প্রায় দেড় বছর ধরে বন্ধ থাকা আবাসিক হলগুলো খুলে দেওয়ার সুপারিশ করেছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *