সন্তানের চিন্তায় সমঝোতার চেষ্টা

অজানা শঙ্কায় বাবা ইমরান শরীফ সন্তানদের জন্য অনবরত চোখের জল ফেলছেন। মেয়েদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সমঝোতা করতে রাজি হয়েছেন তিনি।একই চিন্তা জাপানি নাগরিক মা নাকানো এরিকোর। তারা ইতিমধ্যে এমনটিই ইঙ্গিত দিয়েছেন। এদিকে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে চলতে বড্ড কষ্ট হচ্ছে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুই শিশু জেসমিন মালিকা এবং লাইলা লিনার। বাবার কাছে একটিই প্রশ্ন তাদের, বাবা আমরা কখন যাবো। সারাক্ষণ মন খারাপ করে থাকে দুই মেয়ে। রাজধানীর তেজগাঁও ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে থাকা দুই শিশুর বাবা ইমরান শরীফ মানবজমিনকে বলেন, অবশ্যই সমঝোতার চেষ্টা করবো।

কেন নয়! ওতো (এরিকো) সমঝোতা করতে চায়নি। ও শুধু মামলা করে। জাপানে তিনটি এবং বাংলাদেশে একটিসহ এখন পর্যন্ত সে আমার বিরুদ্ধে চারটি মামলা করেছে। সমঝোতার ইচ্ছা থাকলে সে তো এটা করতো না। এর আগেও সে প্রায়ই হুমকি দিতো মেয়েদেরকে আমার কাছ থেকে নিয়ে যাবে বলে। এটা শুনলে যেকোনো বাবা ভয় পাবেন। ওতো ভীষণ ব্যস্ত মা। বাচ্চাদের ডায়াপারটা পর্যন্ত আমি পাল্টেছি। বড় মেয়ে তাকে প্রায়ই অভিযোগ করে বলতো, মা তুমি ভালোবেসে আমার হাতটা কখনো ধরেছো কিনা মনে পড়ছে না।

সাপোর্ট সেন্টারে মেয়েরা কেমন আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার মেয়েরা ওখানে ভালো নেই। আপনারা ওদের সেভ করেন। গত তিনদিন ধরে ওরা গোসল করছে না। তিনি বলেন, ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্তরা যথেষ্ট আন্তরিকতা দেখাচ্ছে। তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। তাদের প্রতি ব্যক্তিগতভাবে কৃতজ্ঞ আমি। ইমরান বলেন, ছোট মেয়ে দুইদিন ধরে বাথরুম করছে না। খাওয়া-দাওয়া করছে না ঠিকমতো। সারাক্ষণ মন খারাপ করে থাকে। যতক্ষণ ওদের সঙ্গে থাকি প্রতি দশ মিনিট পরপর বলে, বাবা আমরা কখন যাবো। আমাদের এখান থেকে নিয়ে যাও।

Check Also

অনলাইন থেকে শুক্রাণু কিনে ‘ই-বেবি’র জন্ম দিলেন নারী

সন্তান পেতে চেয়েছিলেন। তবে শুধু এই কারণে বাধ্য হয়ে কোনো সম্পর্কে জড়াতে চাননি ৩৩ বছর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *