দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে হত্যা

দক্ষিণ আফ্রিকার বলুম পয়েন্টে চাঁদা না পেয়ে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী সফিকুর রহমান (৪২)কে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা।
নিহত সফিক নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কেশারপাড় ইউপির মৃত আবদুল বারিকের পুত্র। মঙ্গলবার সকালে সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসীরা তার প্রতিষ্ঠানে ঢুকে সফিকুরের গলায়, নাকে ও মুখে টেপ লাগিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে আফ্রিকান পুলিশ সফিকুরের লাশ উদ্ধার করে।
দক্ষিণ আফ্রিকার বলুম পয়েন্টে চাঁদা না পেয়ে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী সফিকুর রহমান (৪২)কে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। নিহত সফিক নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কেশারপাড় ইউপির মৃত আবদুল বারিকের পুত্র। মঙ্গলবার সকালে সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসীরা তার প্রতিষ্ঠানে ঢুকে সফিকুরের গলায়, নাকে ও মুখে টেপ লাগিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে আফ্রিকান পুলিশ সফিকুরের লাশ উদ্ধার করে। (৮ সেপ্টেম্বর) বুধবার সকালে নিহতের কন্যা এসএসসি পরীক্ষার্থী পপি আক্তার জানান, অনেক স্বপ্ন নিয়ে ২০১৫ সালে তার পিতা দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি দিয়েছেন। সেখানে তিনি ব্যবসা করতেন। একাধিক বার সন্ত্রাসীদের দাবিকৃত মোটা অংকের চাঁদা দিয়েছেন। (৭ সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার সকালে দাবিকৃত চাঁদা না পেয়ে ৫/৬ জন সন্ত্রাসী তার পিতাকে পেছন থেকে আক্রমণ করে গলায়, মুখে ও নাকে টেপ লাগিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।
নিহত সফিকুরের স্ত্রী, এসএসসি পরীক্ষার্থী ২ মেয়ে ও দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ুয়া ১ ছেলে রয়েছে। স্হানীয় শিক্ষক জামাল হোসেন কচি জানান, ৫ সেপ্টেম্বর রোববার নিহতের বড় ভাই আবদুল জলিল অসুস্থজনিত কারণে ঢাকায় ইন্তেকাল করেন। ৩ দিনে আপন ২ ভাইয়ের মৃত্যুতে পরিবারটি বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন। নিহতের স্বজন সহ এলাকায় শোকের মাতম চলছে।

(৮ সেপ্টেম্বর) বুধবার সকালে নিহতের কন্যা এসএসসি পরীক্ষার্থী পপি আক্তার জানান, অনেক স্বপ্ন নিয়ে ২০১৫ সালে তার পিতা দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি দিয়েছেন। সেখানে তিনি ব্যবসা করতেন। একাধিক বার সন্ত্রাসীদের দাবিকৃত মোটা অংকের চাঁদা দিয়েছেন। (৭ সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার সকালে দাবিকৃত চাঁদা না পেয়ে ৫/৬ জন সন্ত্রাসী তার পিতাকে পেছন থেকে আক্রমণ করে গলায়, মুখে ও নাকে টেপ লাগিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।

নিহত সফিকুরের স্ত্রী, এসএসসি পরীক্ষার্থী ২ মেয়ে ও দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ুয়া ১ ছেলে রয়েছে। স্হানীয় শিক্ষক জামাল হোসেন কচি জানান, ৫ সেপ্টেম্বর রোববার নিহতের বড় ভাই আবদুল জলিল অসুস্থজনিত কারণে ঢাকায় ইন্তেকাল করেন।

৩ দিনে আপন ২ ভাইয়ের মৃত্যুতে পরিবারটি বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন। নিহতের স্বজন সহ এলাকায় শোকের মাতম চলছে।

Check Also

৫ অক্টোবর ঢাবির হল খোলার সুপারিশ প্রভোস্ট কমিটির

করোনা পরিস্থিতির কারণে প্রায় দেড় বছর ধরে বন্ধ থাকা আবাসিক হলগুলো খুলে দেওয়ার সুপারিশ করেছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *