জঙ্গিদের টার্গেট রোহিঙ্গা ক্যাম্প: অর্থায়নে দেশি-বিদেশি এনজিও

কক্সবাজারের টেকনাফ-উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোকে কেন্দ্র করে চলছে জঙ্গি প্রশিক্ষণ। এসব ক্যাম্প এখন জঙ্গিদের নিরাপদ ঘাঁটি। দুর্গম অরণ্যে গড়ে তোলা হয়েছে প্রশিক্ষণকেন্দ্র। ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জঙ্গিদের সংগঠিত করে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে রোহিঙ্গা জঙ্গি সংগঠনগুলো। তাদের অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে সহায়তার অভিযোগ উঠেছে দেশি-বিদেশি কয়েকটি এনজিওর বিরুদ্ধে।

এর আগে রোহিঙ্গা শিবিরে জঙ্গিদের অর্থ সহায়তার বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় মুসলিম এইড, মুক্তিসহ ৭-৮টি এনজিওর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এরপরও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দৃষ্টি এড়িয়ে পুরোদমে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে অভিযুক্ত কয়েকটি এনজিও। তাদের সহায়তায় দিন দিন আরো শক্তিশালী হচ্ছে জঙ্গিরা।

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে- টেকনাফ-উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর ম্যানেজমেন্ট বা মাঝির দায়িত্বে থাকা অধিকাংশ রোহিঙ্গাই জঙ্গিনেতা। যে কারণে তাদের অধীনে থাকা ক্যাম্পগুলো ব্যবহৃত হচ্ছে যোগাযোগের নির্ভরযোগ্য ঠিকানা হিসেবে। নিষিদ্ধ রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও), আরাকান মুভমেন্ট, আরাকান পিপলস ফ্রিডম পার্টি, আরাকান রোহিঙ্গা ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন (এআরএনও), হরকাতুল জিহাদসহ কয়েকটি জঙ্গি সংগঠন এখন প্রশাসনের দৃষ্টি এড়িয়ে একটি গ্রুপে কাজ করছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সূত্র বলছে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে নজরদারি আরো বাড়ানো হয়েছে। রোহিঙ্গা জঙ্গিদের অন্যতম শীর্ষ নেয়া সালামত উল্লাহ, সালাহ উল ইসলাম, মো. সেলিম, হাফেজ আইয়ুব, শাকিল জেহাদী, হাফেজ রশিদসহ অনেকে বিভিন্ন সময়ে গ্রেফতার হলেও জামিনে বেরিয়ে ফের তৎপর হয়েছে।

Check Also

আরও ২ মামলায় জামিন পেলেন হেলেনা জাহাঙ্গীর

আওয়ামী লীগের বহিস্কৃত বিতর্কিত ব্যবসায়ী হেলেনা জাহাঙ্গীরকে রাজধানীর গুলশান থানায় মাদক ও পল্লবী থানায় প্রতারণা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *