বাবার পেশা ধরে রাখতে রান্না করেন ঢাবি ছাত্র সোহাগ

নরসিংদীর ছেলে মোহাম্মদ সোহাগ। লেখাপড়া করছেন প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ থেকে শেষ করেছেন স্নাতক।বর্তমানে স্নাতকোত্তরে চলমান রয়েছে। তবুও বাবার বাবুর্চি পেশা ধরে রাখতে কাজ করছেন তিনি। বেশ স্বাচ্ছন্দে বনভোজন কিংবা বিয়ের অনুষ্ঠানে রান্না করেন সোহাগ।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয় এমনটি একটি সংবাদ। মোহাম্মদ সোহাগ জেলার শিবপুর উপজেলার যোশর ইউনিয়নের ভংগারটেক গ্রামের ওসমান গনির সন্তান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৫-১৬ সেশনের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) শিক্ষার্থী।সোহাগের জন্ম নরসিংদীর শিবপুরে। গ্রামের স্কুল থেকে শেষ করেন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা। নরসিংদী সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করে ২০১৫ সালে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

এদিকে তার বাবা ২৫ বছর ধরেই শিবপুর ও আশেপাশের এলাকায় বিয়ে বাড়িসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বাবুর্চির কাজ করে আসছেন। ক্লাস সেভেনে পড়াকালীন থেকেই সোহাগ বাবার রান্নার কাজে সহায়তা করতেন। ফলে রপ্ত করেছেন বাবার রান্নার বিভিন্ন কৌশলও।একপর্যায়ে ২০১৪ সালে দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়াবস্থায় নিজেই ২০ থেকে ২৫ জন খাবার খাবে এমন এক অনুষ্ঠানের দায়িত্ব নিয়ে প্রথম একা রান্নার কাজ নেন।

সেখানে ভালো করলে একের পর এক নিজ এলাকা ছাড়াও আশপাশের এলাকার বড় বড় অনুষ্ঠানে রান্নার ডাক আসে সোহাগের। তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে স্বাচ্ছন্দে রান্নাও করতে শুরু করেন তিনি । বর্তমানে তিনি ৫০০ মানুষের রান্না একা এবং একবারেই করতে পারেন।মোহাম্মদ সোহাগ জানান, বিরিয়ানি, ভুনাখিচুরি, গরুর মাংস, খাসির মাংস, রোস্ট, স্পেশাল রুই মাছ, মুগ ও মশুরের ডালসহ প্রায় ১০ প্রকারের রান্নার আইটেম জানা আছে তার। সাধারণত গ্রামাঞ্চলে যেসব খাবার আছে সবই পারেন তিনি।

Check Also

শাড়ির সঙ্গে মেহন্দিতে আঁকা ব্লাউজ, ভিডিও ভাইরাল

সাধারণত শাড়ি সব জায়গায় উপযুক্ত পোশাক হিসেবে বিবেচিত হয়। শাড়ি-ব্লাউজ দুটো মিলিয়েই সম্পূর্ণ হয়। ব্লাউজের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *