হাবিব হত্যায় ছাত্রলীগের ১১ নেতা-কর্মী খালাস

palo-logo
By using this site, you agree to our Privacy Policy.
OK
বাংলাদেশ
সিলেট
হাবিব হত্যায় ছাত্রলীগের ১১ নেতা-কর্মী খালাস
নিজস্ব প্রতিবেদকসিলেট
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২১, ১৮: ১৬
অ+
অ-
সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ছাত্রলীগের সশস্ত্র তৎপরতার সিসি ক্যামেরার এই ফুটেজ দেখে কাজী হাবিব হত্যার আসামি ছাত্রলীগের ১১ নেতা-কর্মীকে শনাক্ত করা হয়েছিল
সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ছাত্রলীগের সশস্ত্র তৎপরতার সিসি ক্যামেরার এই ফুটেজ দেখে কাজী হাবিব হত্যার আসামি ছাত্রলীগের ১১ নেতা-কর্মীকে শনাক্ত করা হয়েছিলফাইল ছবি
আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (এসইইউ) অন্তর্দ্বন্দ্বে ছাত্রলীগ কর্মী কাজী হাবিবুর রহমানকে (২৪) কুপিয়ে হত্যা মামলার রায়ে ছাত্রলীগের এক কেন্দ্রীয় নেতাসহ সব আসামি খালাস পেয়েছেন। কাজী হাবিব সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিবিএ চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

আজ বৃহস্পতিবার সিলেটের অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোমনিননেছা এই রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনায় থাকা সরকারি কৌঁসুলি নূরে আলম সিরাজী প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় আদালতে মামলার ১১ আসামির মধ্যে ৮ জন উপস্থিত ছিলেন। বাকি তিনজন পলাতক। রায় ঘোষণার সময় বাদীপক্ষ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাউকে আদালতে হাজির হতে দেখা যায়নি।

বিজ্ঞাপন
খালাস পাওয়া ১১ আসামির সবাই ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী। এর মধ্যে মামলার এজাহারে হোসাইন মোহাম্মদ সাগর নামের প্রধান আসামি সদ্য ঘোষিত কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্যপদে আছেন। অন্যরা ছাত্রলীগে তাঁর অনুসারী নেতা–কর্মী হিসেবে পরিচিতি। তাঁরা হলেন আউয়াল আহমদ, আশিক উদ্দিন ওরফে আশিক সিকদার, মইনুল ইসলাম, জুবায়ের আহমদ, নাহিদ হাসান, ইলিয়াস আহমদ, নয়ন রায়, বশির উদ্দিন আহমদ ওরফে তুহিন, শহিদুর রহমান ও আলাউর খান।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৯ জানুয়ারি সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ছাত্রলীগের মিছিলে যাওয়াকে কেন্দ্র করে আধিপত্য বিস্তারে এক পক্ষ কুপিয়ে হত্যা করে কাজী হাবিবুর রহমানকে (২৪)। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী কাজী হাবিব ছাত্রলীগের একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পরদিন ২০ জানুয়ারি কাজী হাবিবের ভাই কাজী জাকির বাদী হয়ে সিলেট কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনাস্থলের ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ওই সময় সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি পদে থাকা হোসাইন মোহাম্মদ সাগরসহ ১১ জনকে শনাক্ত করে আসামি করা হয়। আসামি শনাক্ত হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ১১ জনকে বহিষ্কার করে।

Check Also

অস্ট্রেলিয়ায় ওমিক্রনের কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হচ্ছে

অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় শহর সিডনিতে মহামারি করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের কমিউনিটি ট্রান্সমিশন ঘটছে। ইতিমধ্যে পাঁচ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *