হামলার সময় ৯৯৯–এ ফোন করে কিছু এলাকায় সাড়া মেলেনি: আসক

দুর্গাপূজার সময় বিভিন্ন জায়গায় হামলা চলাকালে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে কোনো কোনো এলাকায় যথাসময়ে সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। এমনকি ঘটনা শুরুর পর প্রশাসনকে শঙ্কার কথা প্রকাশ করলেও হিন্দু সম্প্রদায়কে জানানো হয় যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য দিয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় আসক। সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে কুমিল্লা, চাঁদপুর ও নোয়াখালী পরিদর্শন করে আসকের প্রতিনিধিদল। সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার, প্রত্যক্ষদর্শী, স্থানীয় অধিবাসী ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্যের সঙ্গে কথা বলে ১০টি পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছে প্রতিনিধিদল।

বিজ্ঞাপন
সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য পাঠ করেন আসকের জ্যেষ্ঠ সমন্বয়ক আবু আহমেদ ফয়জুল কবির। তিনি জানান, দেশে সম্প্রতি দুর্গাপূজায় প্রতিমা, পূজামণ্ডপ, মন্দিরে হামলা–ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ৭২টি ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া ৭৭টি বাড়িঘর ও ৪১টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনা ঘটেছে।

দেশের ১৮টি জেলায় ১৩ থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত এসব সহিংসতার ঘটনায় ৭ জন নিহত হন, আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২৭৪ জন। গুরুতর আহত অবস্থায় এখনো চিকিৎসাধীন বেশ কয়েকজন।

বিজ্ঞাপন
আসকের প্রতিনিধিদল অভিযোগ করেছে, হামলার ঘটনাগুলো ঘটেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের গাফিলতির কারণে। এমনকি বিজয়া দশমীর দিনে দ্রুত প্রতিমা বিসর্জনের তাগাদাও দেওয়া হয়। প্রতিমা বিসর্জনের পরপরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মন্দির ত্যাগ করেন, এরপরই হামলা শুরু হয়। হামলাকারীদের অধিকাংশই তরুণ ও মাদ্রাসাছাত্র, ‘নারায়ে তাকবির’ স্লোগান দিয়ে লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁরা হামলা চালান।

Check Also

আবরারের পরিবারকে ১২ বছর মাসিক ৭৫ হাজার টাকা দেবে বুয়েট!

বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) আগামী ১২ বছরের জন্য নিহত বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *