দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিটলারের বিরুদ্ধে লড়েছিলেন তাঁরই ভ্রাতুষ্পুত্র

প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক যে প্রচলিত (ইনক্যান্ডিসেন্ট) বাল্ব সাধারণত কেন ৪০, ৬০ বা ১০০ পাওয়ারের (ওয়াট) হয়, কেন ৫০ বা ৮০ পাওয়ারের হয় না? ২৫, ৫০, ৭৫ ও ১০০ পাওয়ারের হলেই তো বরং বেশি যুক্তিপূর্ণ হতো, একটা ছন্দ থাকত। অবশ্য শূন্য পাওয়ারের বাল্ব হিসেবে পরিচিত পাঁচ পাওয়ারের ডিমলাইটও পাওয়া যায় বাজারে। এটা ব্যতিক্রম। সাধারণভাবে ৪০, ৬০ ও ১০০ পাওয়ারের বাল্বই বেশি প্রচলিত।

বৈদ্যুতিক বাতির এ বিষয়টি জানা যাবে ইতিহাস থেকে। টমাস এডিসনের বৈদ্যুতিক বাল্ব প্রচলনের সময় গ্যাসের বাতি ব্যবহার করা হতো। ওই সব বাতির ম্যান্টেল থেকে যে পরিমাণ আলো বের হতো, বৈদ্যুতিক বাল্বেও যেন সমপরিমাণ আলো বের হয়, সে রকম একটা চেষ্টা প্রথম দিকে ছিল। কারণ উজ্জ্বলতা কম হলে তো বাজারে বিক্রি হবে না। প্রথম দিকে বৈদ্যুতিক বাল্বের পাওয়ার ওয়াটে প্রকাশ করা হতো না, ‘ক্যান্ডেল পাওয়ারে’ প্রকাশ করা হতো। ১৯০৭ সালে টাংস্টেন তারের কুণ্ডলীর প্রচলন হলে ৪০, ৬০ ও ১০০ পাওয়ারের বাল্ব তৈরি শুরু হয়, কারণ ওগুলোই ছিল সে সময় প্রচলিত গ্যাস-বাতির ক্যান্ডেল পাওয়ারের সমান। সেই ধারাই আজ পর্যন্ত চলছে।

বিজ্ঞাপন
অবশ্য প্রথম দিকে কিছু কোম্পানি ৫০ ও ৭৫ ওয়াটের বাল্বও তৈরি করেছিল গ্রাহকদের বিনা মূল্যে দেওয়ার জন্য। যেন বৈদ্যুতিক বাল্বের প্রচার হয়। কারণ প্রথম দিকে বৈদ্যুতিক বাতি জনপ্রিয় করার জন্য বেশ প্রতিযোগিতা করতে হয়েছে। বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলো ৪০ ও ৬০ পাওয়ারের বাল্বের সঙ্গে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ পাওয়ার যোগ করে ৫০ ও ৭৫ পাওয়ারের কিছু বাল্ব বানায় গ্রাহকদের উপহার হিসেবে বিতরণের জন্য। কয়েক বছরের মধ্যে বৈদ্যুতিক বাল্ব বাজার দখল করে নেওয়ায় বিনা পয়সায় বিতরণের জন্য বাল্ব বানানোর প্রয়োজন আর থাকে না, বাজারে অবশিষ্ট থাকে সাধারণভাবে প্রচলিত সেই ৪০, ৬০ ও ১০০ পাওয়ারের বাল্ব।

Check Also

শাড়ির সঙ্গে মেহন্দিতে আঁকা ব্লাউজ, ভিডিও ভাইরাল

সাধারণত শাড়ি সব জায়গায় উপযুক্ত পোশাক হিসেবে বিবেচিত হয়। শাড়ি-ব্লাউজ দুটো মিলিয়েই সম্পূর্ণ হয়। ব্লাউজের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *